College History

“নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহ” একটি স্বতন্ত্র ও অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কলেজটি ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে যাত্রা শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে কাথলিকমন্ডলী ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় জনগণের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে কাজ করে আসছে। এখানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি গ্রাম এলাকায় অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেশ কয়েকটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশে কাথলিক ধর্মবিশ্বাসের শতবর্ষপূর্তি উৎসবে ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের শ্রদ্ধেয় বিশপ পল পনেন কুবি, সিএসসি পবিত্র ক্রুশ যাজক সংঘের কাছে নটর ডেম কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুরোধ করেন। তিনি ময়মনসিংহসহ উত্তর অঞ্চলের মানুষের মাঝে উচ্চশিক্ষা বিস্তারের জন্যেই এই আহ্বান করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে পবিত্র ক্রুশ যাজক সংঘের সাধারণ সভায় (চ্যাপ্টার) ময়মনসিংহে নটর ডেম কলেজ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর সম্ভাবনা ও বাস্তবায়নের জন্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়, যার আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ প্রয়াত ফা: বকুল এস রোজারিও, সিএসসি-কে। কমিটি বিভিন্ন সময়ে ময়মনসিংহে আসেন এবং বিশপ মহোদয় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপ-আলোচনা করে বাড়েরা বাইপাস মোড় এলাকায় চার একর জমি ক্রয় করেন। নির্মাণ কাজ ত্বরান্বিত করার জন্য ও অন্যান্য প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করার জন্য পবিত্র ক্রুশ সংঘ ১ নভেম্বর ২০১২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ প্রয়াত ফা: বকুল এস. রোজারিও, সিএসসি-কে অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করেন।

১ মার্চ ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তৎকালীন ভাতিকান রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ যোসেফ মারিনো। এতে অংশগ্রহণ করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের বিশপ পল পনেন কুবি, সিএসসি, পবিত্র ক্রুশ সংঘের সুপিরিয়র জেনারেল ফা: জেমস্ ক্লেমেন্ট ক্রুশ, সিএসসি, ময়মনসিংহের মাননীয় জেলা প্রশাসক (প্রাক্তন) লোকমান হোসেন মিয়া, মেয়র জনাব ইকরামুল হক টিটু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং আরো অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।  
    
নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহ ২০১৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে এ কলেজে প্রথম ৫২ জন সদ্যসমাপ্ত এসএসসি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ৬ সপ্তাহব্যাপী ‘স্পেশাল ইংলিশ কোর্স’ এর আয়োজন করে। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফা: থাদেউস হেমব্রম, সি.এস.সি. শিক্ষক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বয়কারি হিসেবে যোগদান করেন ও ‘স্পেশাল ইংলিশ কোর্স’ পরিচালনার দায়িত্ব নেন। নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহ-এর শুভ উদ্বোধন করা হয় ১০ ও ১১ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রোম থেকে আগত পবিত্র ক্রুশ সংঘের সুপিরিয়র জেনালের ফাদার রিচার্ড ভি ওয়ারনার, সিএসসি; সম্মানিত অতিথি হিসেবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত এডভোকেট প্রমোদ মানকিন, এমপি, ভাটিকান দূতাবাসের চার্চ দি এফেয়ার্স মন্সিনিয়র ম্যাক্সিমো ক্যাটারিন, ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের ধর্মপাল বিশপ পনেন পল কুবি, সি.এস.সি., নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় আমেরিকা থেকে আগত ফাদার টিম স্কালি, সি.এস.সি., পবিত্র ক্রুশ যাজক সংঘের প্রভিন্সিয়াল ফাদার জেম্স ক্রুশ, সি.এস.সি. এবং নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ প্রয়াত ফাদার বকুল এস. রোজারিও, সি.এস.সি.। আর ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ইং তারিখে বোর্ড কর্তৃক নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহ অনুমোদন পায়।

নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহ চার একর জমির উপর একটি তিনতলা একাডেমিক ভবন (প্রস্তাবিত ৬ তলা), ত্রিতল  হলিক্রস ভবন এবং চারতলা বিশিষ্ট ফাদারদের আবাসিক ভবন রয়েছে। এখানে ত্রিতল বিশিষ্ট হলিক্রস ভবনে সন্নিবেশিত হয়েছে কয়েকটি সুবিধা। এর মধ্যে রয়েছে বুক স্টল, ক্যান্টিন ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীদের আবাসিক সুবিধা। এই হলিক্রস ভবনটি ০২ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে বাংলাদেশ হলিক্রস ফাদারদের সুপিরিয়র ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয়। এ কলেজে খেলাধূলার জন্যও রয়েছে বিস্তৃত মাঠ ও বাস্কেটবল কোর্ট।

নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহ
নামকরণ ও প্রতীকের ব্যাখ্যা
যেকোন প্রতিষ্ঠানের নামকরণের পেছনে কোন ইতিহাস বা উদ্দেশ্য নিহিত থাকে। প্রতিষ্ঠান শুরু করার উদ্দেশ্য, তার নীতি ও আদর্শ অনেক সময় এই নামকরণের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। ‘নটর ডেম’ নামের অর্থ কী? এই নামকরণের মধ্য দিয়ে কি কোন উদ্দেশ্য প্রকাশ পেয়েছে? কৌতূহলী ছাত্রদের মনে এসব প্রশ্ন জাগা অস্বাভাবিক নয়। তাছাড়া কলেজের ছাত্র হিসেবে সবারই এসব প্রশ্নের উত্তর জানা উচিত।

নটর ডেম (Notre Dame) শব্দ দু’টো ফরাসী ভাষা থেকে নেয়া। ইংরেজিতে এর অনুবাদ হচ্ছে ‘Our Lady’। রোমান কাথলিকগণ ‘Our Lady’ বলতে যিশুখ্রিস্টের জননী মারীয়া বা মেরীকে বুঝে থাকে। তাঁর প্রতি তাদের অগাধ ভক্তিশ্রদ্ধা প্রকাশ করার জন্য বাইবেল বর্ণিত সেই অনন্যা নারীকে তারা এভাবে সম্বোধন করে থাকে। নটর ডেম কলেজ সেই মহীয়সী নারী মরিয়মের নামে উৎসর্গীকৃত। যিশুখ্রিস্টের “জ্ঞানে ও বয়সে, ঈশ্বর ও মানুষের ভালবাসায়” বেড়ে ওঠায় মারীয়ার ভূমিকা ছিল অনন্যা। তাঁর সেই মাতৃসুলভ স্নেহ - ভালবাসা দিয়ে ছাত্রদের প্রকৃত মানুষরূপে গড়ে উঠতে সহায়তা করার জন্যই নটর ডেম কলেজের এই নামকরণ।

নটর ডেম কলেজের নামকরণের পেছনে আরও একটি কারণ আছে। এই কলেজ যারা পরিচালনা করে তাঁরা হলেন হলিক্রস সন্ন্যাস-সংঘের ধর্মযাজক (The Congregation of Holy Cross Priest Society) । হলিক্রস সন্ন্যাস-সংঘের ফাদার, ব্রাদার ও সিস্টারদের নামের পরে লেখা থাকে ‘সি.এস.সি.’। অনেকেই এর ব্যাখ্যা জানতে চান। ল্যাটিন ভাষায় সন্ন্যাস-সংঘটিকে বলা হয় Congregazione di Santa Croce. CSC বলতে তিনটি শব্দের আদ্যাক্ষর বুঝায় এবং এ সংঘের সবাই এভাবে পরিচিত। কাথলিক চার্চে যাজকদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর জন্য তাঁদেরকে ‘ফাদার’ বলে সম্বোধন করা হয়।

হলিক্রস সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ফাদার বাসিল আন্তনী মেরী মরো। উনবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে ফ্রান্স দেশের যে স্থানে তিনি এই সন্ন্যাস সংঘটি স্থাপন করেছিলেন সেখানকার প্রধান উপাসনালয়ের নাম ছিল ‘আওয়ার লেডী চ্যাপেল’ এবং তা মাতা মেরীর নামে উৎসর্গীকৃত ছিল। আর মাতা মেরীর প্রতি ছিল ফাদার মরোর অগাধ ভক্তি ও শ্রদ্ধা। সুতরাং প্রতিষ্ঠাতার আদর্শ অনুকরণ করেই হলিক্রস সংঘের ফাদার, ব্রাদার ও সিস্টারগণ তাঁর দ্বারা পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহের এরূপ নামকরণ করে থাকেন।

নটর ডেম কলেজের মূলনীতিকে যে কথার দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে তা হল: ‘Diligite Lumen Sapientiae’ যার ইংরেজি অনুবাদ হচ্ছে: ‘Love the light of wisdom’ ‘জ্ঞানের আলোকে ভালবাস’। ঈশ্বর হচ্ছেন সকল জ্ঞানের উৎস। কাথলিক ধর্মমতে মাতা মেরী হলেন জ্ঞানের প্রতীক, কেননা তিনি ঈশ্বরের মহান অনুগ্রহের পাত্রী। ‘জ্ঞান’ (Sapientia) শব্দটি কলেজের আসল উদ্দেশ্য প্রকাশ করে। শুধুমাত্র জ্ঞান আহরণই নয়, তদুপরি জ্ঞানের উৎস স্রষ্টাকে অর্থাৎ পরম করুণাময় ঈশ্বরকে লাভ করার উপায় জানতে সহায়তা করাও কলেজের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। ‘Lumen’ অর্থ হচ্ছে আলো। আলো অন্ধকারকে দূরীভূত করে এবং মানুষকে পথ চলার শক্তি এবং ভালোমন্দের পার্থক্য বোঝার ক্ষমতা দেয়। অজ্ঞানতা হচ্ছে অন্ধকারের সামিল। জ্ঞানের আলো মানুষকে আলোকিত ব্যক্তিতে পরিণত করে, এ জগতের আবিলতা থেকে মুক্ত হয়ে ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করতে সহায়তা করে। ‘উরষরমরঃব’ শব্দটি হচ্ছে অনুজ্ঞাসূচক, যার অর্থ ‘ভালবাসা’। জ্ঞান যেহেতু কল্যাণকর, সেহেতু ভালবাসা নিয়ে জ্ঞান আহরণ করতে হবে। অন্যায়-অসত্য হচ্ছে অন্ধকারস্বরূপ; আর ন্যায়, সত্য, শা্িন্ত হচ্ছে আলোস্বরূপ। তাই ‘আলো’কে ভাল না বাসলে আমরা পরম মঙ্গলকে চিনতে পারি না।  

কলেজের প্রতীকের মাঝখানে রয়েছে একটি খোলাপুস্তক-যার এক পৃষ্ঠায় লেখা আছে ‘আল্ফা’ অর্থাৎ গ্রীক হরফে আদি অক্ষর এবং অপর পৃষ্ঠায় লেখা রয়েছে ‘ওমেগা’ অর্থাৎ গ্রীক হরফের অন্ত্য অক্ষর। স্বয়ং ঈশ্বর হচ্ছেন সমস্ত কিছুর আদি উৎস এবং সমন্ত কিছুর শেষ বা পরম লক্ষ্য। বই হচ্ছে জ্ঞানের বাহক বা প্রতীক। জ্ঞানার্জনের জন্য তাই বই পড়তে হবে। যুগ যুগের সঞ্চিত জ্ঞান বর্ণমালার সাহায্যে পুস্তকে লিপিবদ্ধ হয়ে আছে, তা পাঠ ও ধ্যান করে তার নিহিতার্থ হৃদয়ঙ্গম করতে পারলে জীবন আলোকময় হয়ে ওঠে।
 
কলেজের প্রতীকে দেখা যায় তিনটি ক্ষেত্র। বামদিকের ক্ষেত্রে দেখা যায় ৭টি ‘Fleurs de-lis’, এটি ফরাসী শব্দ যার বাংলা রূপান্তর হচ্ছে পদ্মফুল। পদ্ম হচ্ছে বিশুদ্ধতার প্রতীক। যিশুর মাতা মেরী ছিলেন পদ্মের ন্যায় শুচি ও পবিত্র। ৭টি পদ্ম দ্বারা মাতা মেরীর জীবনের ৭টি শোককে প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর জীবনের ৭টি দুঃখময় ঘটনার স্মরণে তাঁকে বলা হয় সপ্তশোকের জননী। তিনি তাঁর পুত্র যিশুর জন্য যে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করেছিলেন তা জগতের প্রলয়কাল পর্যন্ত সকলে স্মরণে রাখবে। এ জগতে দুঃখকষ্ট আমাদের জীবনের বাস্তবতা, দুঃখকষ্টকে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়। তবে ভালবাসার কারণে দুঃখকষ্টকে বরণ করে নিতে পারলে তার পরিণাম হয় শুভ। প্রকৃত জ্ঞানার্জন সহজ নয়, তা লাভ করার জন্য যে সাধনার প্রয়োজন তা অতি কষ্ঠসাধ্য; কিন্তু জ্ঞান সুখদায়ক, জ্ঞানবান ব্যক্তি প্রকৃত সুখী মানুষ।
 
ডানদিকের ক্ষেত্রটি বাংলাদেশের ভূমিতে কলেজটির অবস্থানের প্রতীক। আমাদের এ মাতৃভূমি সবুজ-শ্যামলে সুন্দর। উদীয়মান সূর্য নতুন দিনের নতুন আশার প্রতীক। জলভরা নদী, চলমান নৌকা, সোনালী ধানক্ষেত আর সীমাহীন নীলাকাশ শোভিত এই সোনার বাংলায় নটর ডেম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য।
 
নিচের ক্ষেত্রটিতে আড়াআড়িভাবে বসানো নোঙরদ্বয়ের মাঝখানে স্থাপিত ক্রুশটি হলিক্রস সন্ন্যাস-সংঘের প্রতীক। খ্রিস্টানদের বিশ্বাস, যিশুখ্রিস্ট ক্রুশের উপরে মৃত্যুবরণ করেই মানবজাতির মুক্তি সাধন করেছেন। ক্রুশার্পিত সেই খ্রিস্টকে নোঙরের ন্যায় আঁকড়ে ধরে জীবন যাপন করলে নাজাৎ বা পরিত্রাণ লাভ করা যায়। সুতরাং নোঙর হচ্ছে আশার প্রতীক। ভাসমান নৌকা বিক্ষুব্ধ ঝড়ের দ্বারা এদিক সেদিক তাড়িত হলে নোঙর ফেলেই যেমন হারিয়ে যাওয়ার বিপদ থেকে রক্ষা পায়, ঠিক সেভাবে খ্রিস্টকে অবলম্বন করে জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়। অনেক আশা নিয়ে শিক্ষার্থীরা পাল তুলে গভীর জ্ঞানসমুদ্রে পাড়ি জমায়। সাধনায় স্থির ও অবিচল থাকলে ভবিষ্যতে তারা একদিন তীরের সন্ধান পাবেই। সেখানে রয়েছে অনাবিল সুখ-শান্তি-আনন্দ। ক্রুশ থেকে চারদিকে যে আলো ছড়িয়ে পড়ছে তা যিশুখ্রিস্টের আলো ও মহানুভবতারই প্রতীক।